আরে ওই আইল কে রে ঘনবরণী।
কে রে নবীনা নগনা, লাজবিরহিতা,
ভুবন-মোহিতা, একী অনুচিতা,
কুলের কামিনী।
কুঞ্জরবরগতি আসবে আবেশ,
ললিতবসনা গলিত কেশ,
সুরনরে শঙ্কা করে হেরি বেশ,
হুংকাররবে রে দনুজদলনী।।
কে রে নব-নীল-কমল-কলিকা বলি,
অঙ্গুলী দংশন করিছে অলি,
মুখচন্দ্রে চকোরগণ,
অধর অর্পণ করত পূর্ণ শশধর বলি।
ভ্রমর চকোরেতে লাগিল বিবাদ,
এ কহে নীলকমল, ও কহে চাঁদ,
দোহা দোহে করতহি নাদ,
চিচিকি গুনগুন করিয়ে ধ্বনি।।
কে রে জঘন সুচারু, কদলীতরুনিন্দিত,
রুধির অধীর বহিছে,
তদূর্ধ্বে কটিবেড়া, নরকরছড়া,
কিঙ্কিনি সহ শোভা করিছে।
করতল স্থল, নিরমল অতিশয়,
বামে অসিমুন্ড, দক্ষিণে বরাভয়,
খন্ড খন্ড করে রথ গজ হয়,
জয় জয় ডাকিছে সঙ্গিনী।।
কে রে উর্দ্ধতর ভূধর, হেরি হেরি পয়োধর
করি কুম্ভভয়ে বিদরে, অপরুপ কী এ আর,
চন্ডমুন্ডহার, সুন্দরী সুন্দর পরে।
প্রফুল্ল বদনে রদন-ঝলকে,
মৃদুহাস্য প্রকাশ্য দামিনী নলকে,
রবি অনল শশী ত্রিনয়নপলকে,
দম্ভে কম্পে সঘনে ধরণি।।