কেন গো তুই শ্মশান বাসিনী ।
কোন পাগলের প্রেমে পড়ে, হলে পাগলিনী ।
রক্ত বস্ত্র কটীতটে, নয়নে আগুন ছোটে,
এলোকেশে ছদ্মবেশে, উন্মাদিনী কার কামিনী ।
কার ভাবে কি ভেবে মনে, যোগিনী যোগ সাধনে,
ঘর ছেড়ে এলে শ্মশানে, ওগো শ্মশান বাসিনী ।
অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড যারে, যোগে আরাধনা করে,
সে জানি কাহার তরে, পাগলিনী নাহি জানি ।
চিতা করে ধূধূ ধূধূ, কুল ত্যাজিয়ে কুলবধূ,
মরার মাথায় পিয়ে মধু, আবেশে অবশাঙ্গিনী ।
লোল জিহ্বা অসি ধরা, মুণ্ডমালা গলে পরা,
লক্ষী মা তুই লক্ষীছাড়া, কার লাগিয়া বল মা শুনি ।
যার লাগিয়ে সে তো ভুলে, পড়ে আছে পদতলে,
মুখে ববম ববম বলে, আগুন জ্বলে খেলে ফণী ।
তবে কেন পাগল পারা, বল মা তারা একী ধারা,
মনোমোহন আত্মহারা, হৃদে ধরে চরণখানি ।।