ধূ ধূ করি শুধু হৃদয় শ্মশানে, অনলে অনিলে পেতে দিছো খেলা ।
কামিনী কাঞ্চন বাসনা কেমন, যোগাইছে তারা কাঠখড়ি চেলা ।
জল জল করি শুনি কোলাহল, কোথা পাবে জল পিয়ে হলাহল
আবেশে বিহ্বল ফুৎকারে অনল, আশা মায়াবিনী সুচতুরা বালা ।
দূরে কালো মেঘ সাজিছে কোণে, গুরু গরজন পশিছে কানে
আকাশে বাতাসে উঠিয়ে ধূয়া, আঁধারে ডুবিছে আলোক মালা ।
ধীরে ধীরে পাখি যাইছে নীড়ে, পেছনে আঁধার আসিছে ঘিরে
ঐ দেখা যায়, অমনি লুকায়, পথিকের চোখে চমকে চপলা ।
গৃধিনী শকুনি শিবা আর কাক, ডাকিছে কৌতুকে শোনা যায় ডাক
বেতাল ভৈরব চৌদিকে নাচিছে, শাকিনী প্রেতিনী ভূত প্রেত গুলা ।
ঘোর অমাবস্যা অন্ধকার ঘোরে, বিভীষিকাময় এ শ্মশানোপরে
কামনা চণ্ডাল শব বক্ষোপরে, বসিয়াছে মনো নিয়ে জপের মালা ।
এ শব সাধনা অতি ভয়ঙ্কর, চিৎকারে ফুৎকারে কম্পিত অন্তর
ভরসা কেবল শ্রীপদে নির্ভর, মুখে মাত্র বাণী বব বম ভোলা ।।