বেশ তো আছো ভালো, বাজায়ে খেমটা তাল, ভেবে দেখনিরে মধ্যমান
কোলে লয়ে ডবকী, বাজাইছো ছবকী, ব্রহ্মতালে নাহি জ্ঞান ।
অহঙ্কার চৌতাল, বাজাইছো ধামাল
সুরফাঁক আড়াঠেকার, রাখোনি সন্ধান ।
ঠুংরী ঠেস কাওয়ালী, ভেবে দিন কাটাইলি
তেতালায় বেতালা হয়ে ফাঁকে দিলি মান ।
সোহিনী সুরটে বেশতো আছো বটে
আশা ভূপালীতে, ধরিয়ে সুতান ।
যৎ পোস্ত আড়া, পুত্র কণ্যা তারা
রুপক তালে গায়, বাহার আর কল্যাণ ।
সারঙ্গ ভৈরবীতে, মধ্যাহ্ন প্রভাতে
বন্ধু জনায় গায়, সুললিত গান ।
পূরবীর কালে, হায়রে রুদ্র তালে
দীপক দিবে জ্বেলে, নাহি পরিত্রাণ ।
কীর্ত্তন ভাঙ্গা সুরে, সকল ভেঙ্গেচুড়ে
পঞ্চম সোয়ারী গাবে হরিগুণ গান ।
ভেবে মনোমোহন, পরজেতে মন
একতারা বাজায়ে, সাধিছে মূলতান ।।