লাইলাহা ইল্লাল্লাহু পাক সোবাহান
রাখো মারো যাহা করো, তুমি আল্লা নিঘাবান ।।
আল্লাহু কাদির গনি, তোমা বিনে কেউ না জানি
করেন মোরে মেহেরবানী, আছি আমি পেরেশান ।
তোমার করিম রহিম নামের গুণে, আমি পাপী দীনহীনে,
তরাইয়া লও নিজগুণে, তোমাতে সপিয়াছি প্রাণ ।।
বানাইয়া আদম হাওয়া, বেহেশতে দিলায় খাইতে মেওয়া ।
কার ফেরে গন্ধম খাইলো, বুঝিতে পারিনা শান ।
তুমি আল্লা নিঘাবান, অসম্মান কেন হইলো তান
যার প্রতি করো দয়া, কি করতে পারে শয়তান ।।
বানাইয়া আদম তরী, তাতে দিলায় হাওয়া ভরি,
লাহুতে নোঙ্গর করি কলবে ভরিলায় জান ।
জানের দিলায় কুলমান, কেহ সৈয়দ, কেহই পাঠান,
কেহ মোগল, কেহই কাজী, যাবার বেলায় এক সমান ।।
হরদমেতে এক দম, দেখরে ভাই আদম,
রাজা বাদশা গরীব কাঙাল, ধর্মের লাগি কেবা কম
কলব, রূহ, ছেরব, খফি, আকফা, নকছ, ছয়টি রবি
হৃদ আকাশে উদয় সবই, আদম শহরে উঠছে চাঁন ।।
লাহুতেরই তালা দিয়া, রাখছে সবই বন্ধ করিয়া
সাধন করিয়া খুললে তালা, দেখবি রে খোদারই শান ।।
খোদার শানও দেখতে গেলে, মুর্শীদ ভজো সাচ্চা দিলে
মুর্শীদ না ভজিলে বাছা, কি পাইবে তুই তার সন্ধান ।।
আল্লাহু নাম সার কর, কলবেতে জেকের কর
পাবে খোদা বর্জক ধ্যানে, মুর্শীদ হইলে মেহেরবান ।।
মুর্শীদের উছিলা করি, লুকাইয়াছইন পাক বারি,
কালাশায় কয় শাহা নূরী, জান শরীফ শা কুলমান ।।