খবিশা রমণীগণ রাখেনা সোয়ামীর মন
উপপতির সেবা করে, দিয়া যৌবন ধন ।।
(হায়রে) নাইওর গেলে বাপের বাড়ি
থাকবো বলে দিন দুই চারি
ছয়মাস গত হয়, আসে না কখন ।।
আয়না কাকই লইয়া হাতে
মিছরি মাজন লাগায় দাঁতে
বাড়ি বাড়ি ঘুইরা ফিরে লইয়া গুণ্ডাগণ ।।
(হায়রে) পাতলা কাপড়, দশ হাত শাড়ী
ব্যাবহার করেন তো নারী
নদীর কূলে জল আনিতে হয় আগমন ।
গিয়া নদীর ঘাটে, বসে কত ঠাটে
বুকেতে সাবান লাগায় খুলিয়া বসন ।।
নামিয়া নদীর জলে, হাসিঠাট্টা লাই খেলে
কুচ মাঞ্জা গুপ্তস্থান করিয়া উদন ।।
কতজনে দেইখে তায়, করে খালি হায় হায়
কী অচানক দেখা যায়, দেখো বন্ধুগণ ।।
হাদীস কোরাণ শোনো ভাই, মোসলমানী জানো নাই ।
কোরাণে বলিছেন সাই পর্দারই কারণ ।।
বেপর্দা আওরাত যার, অসার জীবন তার
দায়ুস হইয়া যাইতে হবে দোজখে তখন ।।
অধম কালাশায় কয়, মোসলমান সামান্য নয়
আওরতেরে পর্দায় রাখো করিয়া যতন ।।
খেতের পানি ছাড়িয়া দিলে, ধান হবে কেঠায় বলে
লা-তাকরাবুজ্জিনা বলেন নিরঞ্জন ।।