ও মন চিনো যেয়ে তারে
স্থূল দেহেতে বিরাজ করে, সূক্ষ্ম বস্তু শূণ্যাকারে ।।
যারে মানুষ বলে, সে আছে উল্টা কলে
সর্বত্রই বিরাজিত চৌদ্দ ভুবন ছেড়ে
জগতের বাহিরে থাকে, স্রষ্টা বলে তারে
আজ্ঞাচক্রের উর্ধ্বে থেকে, মহাসিন্ধুর বিন্দু ঝরে ।।
সেই বিন্দু বাস্প হইয়া, অহম ভাবে যায় মিশিয়া
জীবের জীবন নাম ধরিয়া, হংস ধ্বনি করে
সাধনবলে সোহহং শব্দ যে জাগাইতে পারে
ইচ্ছাতে হয় কর্ম সিদ্ধি, শমনের কি ধার ধারে ?
স্বরুপে অরুপের বিন্দু, ভরা আছে কাম সিন্ধু
মণিপুরে বিরাজিত, মহাজন কয় তারে
বায়ুরুপে আসা যাওয়া, স্থূল দেহের ভিতরে
তার কি কখন ধ্বংস আছে ? ছায়া মূরত গগন ভরে ।।
জালালের পাগল মন, কি জানি কিসের কারণ
ভাবিতেছে জন্ম মরণ, কেমনে যাবে দূরে
জলবিন্দু যদি গিয়া মিশে যায় সাগরে
মহাসাগর নাম ধরিবে, ভাবনা কি আর আছে রে ।।