মন তুই চিনবে কি মানুষে
তোর ভিতরে সোনার মানুষ, কোনখানে রয়েছে বসে ।।
হৃদপিঞ্জরে কেবা আছে, জিজ্ঞাসা কর গুরুর কাছে
কোন সময়ে কোথা রহে, কোন রসেতে ভাসে
অবিকল তোমারই মতো আছে মানুষ বসে
কানে শোনা হলো কেবল, দেখলেনা তুই আপনা দোষে ।।
সহজেতে ভাব ধরিয়া, মানুষের সঙ্গ নিয়া
নির্জনে রও চুপ করিয়া, পাইতে পারো বসে
অধর ধরা বেঁচে মরা, ধরা দেওনা খোশে
চারি যুগে সিদ্ধ হইলে পাওয়া যাবে অনায়াসে ।।
অন্তর আত্মা পরশমণি, নিকটে তার সোনার খনি
তার নীচে বিষাক্ত ফণী, পুড়ে যায় তার শ্বাসে
দংশনের ভয় দেখাইয়া, পলাইয়া যায় শেষে
যখন উঠে ফুসফুসায়ে, বুক বেঁধে নেও খুব সাহসে ।।
অধর ধরা, জ্যান্ত মরা, থাকবে এসে সামনে খাড়া
অন্ধে তারে দেখতে পারে, চোখ থাকলে না ভাসে
আন্ধার ঘরে ধান্দার মেলা, চক্ষুওয়ালায় হাসে
জালাল উদ্দিন পারলোনা আর যৎসামান্য অবিশ্বাসে ।।