মানুষ চিনবে তুই কেমনে
তোর ভিতরেই তোমার মানুষ, রইয়াছে নিশ্চিন্ত মনে ।।
এই যে তোমার সুন্দর দেহ, তাতে নাই আর অন্য কেহ
খুদি খোদায় শান্তি সহ মিশিয়া পবনে
একুশ হাজার ছয়শত বার, উপরে নীচে টানে
দিলের ভিতর অন্তরাত্মা, থাকতে আছে নিঃসন্ধানে ।।
নয়টি জেলা দশটি থানা, আঠারোটি হয় পরগণা
তারই মধ্যে লোক ছয়জনা বেড়ায় রাত্রদিনে
সুমতি ছাড়িয়া থাকে কুমতির সনে
হা হুতাশে পুড়ে মরছো, জ্বলন্ত সেই মন আগুনে ।।
কল্পতরু পরম গুরু, অন্ত হইতে আদি শুরু
জীব জানোয়ার মানুষ গরু, দুনিয়ার ময়দানে
কেউ রয়েছে ঘরে বসে, কেউ গিয়াছে বনে
ভাবনাতে ভাব জাগাইলে বর্তমান পায় ত্রিভুবনে ।।
পশু পাখি লক্ষ লক্ষ, ভূত পিশাচ যক্ষ রক্ষ
রুপ নিয়া যে রয় প্রত্যক্ষ, পড়ে কার সামনে
চিনলো যারা, কথা কয়না, সদায় থাকে ধ্যানে
জালাল কয় মোর মহামন্ত্র, সিদ্ধ হইলোনা জাগরণে ।।