জীবন ভরিয়ে কত না করিয়ে
খোদাকে হলো না চিনা, সে বা কেমন জন ।।
মানুষের ঘরে মানুষ হয়ে ঘোরে
অন্তরে বসতি করে, ছায়াটি যেমন
যে যেমন সে তেমন, পশুতে পশুর মতন
নিরাকার নিরঞ্জন, আকারেই গঠন ।।
চোরের খোদা চোর, জ্ঞানীর খোদা চতুর
রোগীর ভাণ্ডে রোগী হয়ে থাকে নিরঞ্জন
জোয়ান বুড়া বর্তমান, শিশুর খোদা অজ্ঞান
ভাবের ভাবুক হইয়ে করে যোগমিলন ।।
এক আত্মা এক প্রাণী, জীবেতে পরম জানি
বলে যত তত্বজ্ঞানী, মহাপুরুষগণ
নব অনুরাগে সবের মধ্যে জাগে
তারে চিনিবার আগে চিনতে হয় আপন ।।
হলে তার পরিচয়, আমিত্ব কিছুই নয়
এ পৃথিবী মায়াময় হেয়ালী স্বপন
ভাবিয়ে জালাল কয়, ঘুচিবে সংশয়
একই সূর্য বিশ্বময় দিতেছে কিরণ ।।