যাবে যদি ছুটে আয়, শুন তোরে কই মন পাগল
ঘোর অন্ধকার ভয়ের সঞ্চার, না আছে পথের সম্বল ।।
অষ্টধাতুর দেহখানি চালাইতেছে খোদ কোম্পানী
তার ভেতরে আছে পানি, হাওয়ার জোরে হয় প্রবল ।।
উপরে জ্বলে পরশমণি, নীচে ঘুমায় অষ্টফণী
হংস রবে উঠছে ধ্বনি, সোহহং শব্দে চলাচল ।।
মূলাধার হইতে গিয়া, কুম্ভকেতে দম আটিয়া
খুজতে থাক চোখ মুদিয়া, ধ্যান করে সহস্র দল ।।
ষোলো তালায় চাবি দিয়া, তিন তারেতে ঝংকারিয়া
শুনতে পাবে কান পাতিয়া নিত্যধামের কোলাহল ।।
আছে দুইটি নিশান খাড়া, উপরের তালা বন্ধ করা
রতন মানিক মধ্যে ভরা, নয়টি নালে আসে জল ।।
যাবে যদি প্রেমনগরে, দাড়াইয়োনা বালুচরে
দিকদর্শন যন্ত্র ধরে, জালালে কয় সোজা চল ।।