তুই ঠাকুরের কাঙ্গালী আমি ।
মাও চাইনা বাপও চাইনা, কেবল চাই তুমি ।।
আমার ঘরে থাকিয়া ঠাকুর করিলে বদনামী ।
লোকে বলে হাঐয়া ঠাকুর জিবাই বেটীর স্বামী ।।
তুই ঠাকুরের প্রেম করিয়া কলঙ্ক রহিলো ।
এই বলিয়া হাছন জানে আঞ্জা করিয়া ধইলো ।।
আঞ্জা করিয়া ধরিয়া বলে, ছাড়বোনা রে আর ।
আর কি ছাড়িয়া দিবো তোরে, তুমি যে আমার ।
এক নাম হাঐয়া ঠাকুর, আর এক নাম হাছন ।
তুমি গেলে হাছন জানের নাই যে বাঁচন ।।
এই বলিয়া হাছন জানে ধইলো গিয়া গলে ।
হাছন রাজা হাছন জানরে ধরিয়া লইলো কোলে ।
দুইজনা মিলন হইলো ভৈশালেরি শালে ।
হাছন জানে হার পরাইলো, হাছন রাজার গলে ।।