দুর্বিন শাহ রচিত গান নং ১১৮

অটোমেটিক কলের মেশিন
এই দেহ সবার
টেকনিক্যালের হেড মেস্তরি
আপনি হলেন ফিটার ।।
মন রে
খুদে খোদা হেড মেস্তরি
চাইর জনা তার কর্মচারী
ষোলোজন আছেন প্রহরী
পাঁচজনা তায় পেসেঞ্জার
টু হান্ড্রেড সিক্স পার্টসের দ্বারা
এই মেশিনটা করছে খাড়া
বাহাত্তর হাজার তারের জোড়া
চতুর্পার্শ্বে ফিট লেদার ।।
মন রে
লাইন বেলাইনে সদায় চলে
দিনে তিনবার কয়লা দিলে
ধু ধু করে আগুন জ্বলে
মাঝখানে আছে বয়লার
ইলেকট্রিক কারেন্টের বলে
ললাটে লাইট জ্বলে
সেন্টার হইতে আগদুয়ারে
সর্বদা চলে ওয়েদার ।।
মন রে
হার্ট পিণ্ডের ঘড়ির কাটা
ভিতরে তার চোদ্দো কোঠা
কোঠায় কোঠায় নকশা কাটা
তার মধ্যে আছে পোস্টার
চাবি দিয়া মেইন গেইটে
গেলে পরে ইনসাইডে
দেখতে পাবে চিত্রপটে
সমস্ত ওয়ার্ল্ডের পিকচার ।।
মন রে
হেড কোয়ার্টারে চাইরটা থানা
অফিসার আছে চাইরজনা
কর্মক্ষেত্রে দিছে হানা
যেমন সে ওভার লুকার
কেহ দেখে কেহ শুনে
কেহ বসে বায়ু টানে
আরেকজন আছে জবানে
ওরা দেহের হেড ওয়ার্কার ।।
মন রে
নীচের দিকে তিন জানালা
দুই জানালা আছে খোলা
একধারে বাহির হয় ময়লা
আরেকটায় পাছ হয় ওয়াটার
গোডাউন হয় মণিপুরে
পাছ করে মাল কাম বিকারে
গেলে রমণীর বাজারে
স্টক মারে পড়ে লুজার ।।
মন রে
জ্ঞান ম্যাজিস্ট্রেট হেড কোয়ার্টারে
কোর্টে বসে হিয়ারিং করে
অ্যাপলিকেশন মেইন পেশকারে
মুভ করে সে বারে বারে
দুইবার দুই ইন্সপেক্টর লেখে
আমলনামা লেটার
রিপোর্ট দাখিল করবেন সেবার
যেদিন হবে মূল বিচার ।।
মন রে
মেশিন যখন পুরাণ হবে
কলকব্জায় ঝঙ্কার ধরবে
মাটিতে পড়িয়া রবে
ছাড়িয়া যাবে ড্রাইভার
মেস্তরি আর কর্মচারী
সবাই যেদিন যাবে ছাড়ি
দুর্বিন শারই বাহাদুরী
এই ভবে রবেনা আর ।।