নিখিল ব্রহ্মাণ্ডে প্রতি দেহ ভাণ্ডে
খেলিছো অখণ্ডে থাকিয়া একা ।।
কত শত নামে হয়েছো ব্যাক্ত
লক্ষ কোটি সুরত নাহি আদি অন্ত
দূর হইতে হয় দূরান্ত
তোমায় তল্লাশ করে দেখা ।।
রাখো মারো চালাও সব তব কৃতি
যাহা ইচ্ছা করো, নেও না কারো যুক্তি
সব কর্মে ধর্মে তব হাতে শক্তি
তুমি যে বৃক্ষ মোরা হই শাখা ।।
গরমে দিয়াছো শীতল বায়ূ
আচলে করতেছো সচল স্নায়ু
সবকিছু করো ইচ্ছা অনুযায়ী
বুঝে না কর্ম হয়েছি বোকা ।।
কেহ সিংহাসনে করেছো বাদশা
কেহ গাছতলে পায় দুর্দশা
ব্যাকুল সুরে বলে দুর্বিন শা
মর্ম বুঝিতে হয় গো ঠেকা ।।