দোজাহানের কর্তা যিনি নূরনবী আমার
আদি যুগে এশকে ভাগে নূরেতে সৃজন যাহার ।।
সেই নূর খোদায় করিয়া সৃজন
দশটা অংশ বানায় শেষে
সাঁই নিরঞ্জন
আরশ কুরসি লওহ কলম
চতুরাংশে হয় তৈয়ার ।।
চন্দ্র সূর্য বেহেস্ত দোজখ হয়
আকাশ পাতাল হুর পরী
ফেরেস্তা যত রয়
বেদ বেদান্ত মতে কয়
সকলেই নূরের সঞ্চার ।।
একটা অংশে বানাইলেন ময়ূর
লা ইলাহার জিকির দিলেন
খোরাক সেই রুহুর
সেদরাতুল একিনের উপর
ময়ূরটা বসায় সেবার ।।
শানে বরজক আয়না বানাইয়া
ময়ূরের সামনে যখন
দিলেন ধরিয়া
আয়নাতে সুরতে দেখিয়া
করে সেজদা পঞ্চবার ।।
সেইজন্য ভাই এই জগতে
পাঁচ অক্ত নামাজ নাজিল
করলেন কুদরতে
দুর্বিন শা কয় কাতরেতে
কে বুঝে লীলা তাহার ।।