তোমার লাগিয়া আমি সদা উচাটন।
নিজ মন সুখে থাক, আপনা ভবন।।
বন্ধু অ, তোর প্রেমে হইয়া বিয়োগী, দারা পুত্র সব ত্যাগী
উদ্দেশিয়া করিনু গমন।
উন্মত্ত অন্ধ যেন, পন্থের সংকট কোন
না গণিনু বটক মতন।।
বন্ধু অ, প্রেমানল দিলা বুকে, কহিয়া বুঝাব কাকে
বুঝাইলে না বুঝে কোন জন।
ভাবের ভাবুক যারা, ইঙ্গিতে বুঝে তারা
ব্যথিত বুঝে ব্যথার বেদন।।
বন্ধু অ, দিদারের হইয়া পিয়াসী, গলে দিয়া প্রেম ফাঁসি
মন রঙ্গে করিনু গমন।
প্রদীপে মিলাইতে অঙ্গ, ধাইয়া আসি পতঙ্গ
নিষেধিল অপ্রেমিক গণ।
বন্ধু অ, লঙ্ঘি বহু কাঁটাবন, পাইয়া অতি জ্বালাতন
আসিলাম তোমার সদন।
মস্তকে শোণিত ধারা, রঙ্গাইনু জামা জোড়া
দেখিলাম কারবালা লক্ষণ।।
বন্ধু অ, ছিয়া অঙ্গ লাল হইল, দেশ বিদেশে ডাক পড়িল
কলঙ্ক ঘোষিল জন জন।
প্রেমে হইয়া আকুলিত, না শুনিনু কাহার বাত
জিন্দা জানে মুর্দার মতন।।
১৩৫৫ সনে মাঘ মাসের ২৭ দিনে, বালিনাতে মধু বরিষণ
তোতা মিয়া পাইয়া তত্ত্ব, প্রেমেতে হইয়া মত্ত
মধুপানে আনন্দিত মন।।