শুন বলি সজিদার কথা।
সজিদাতে কি ভেদ আছে, বে-মুর্শেদে জানবে কোথা।।
কালেব আদম যাহা, খোদার মসজিদ তাহা।
আব আতশ খাক বাতে হইয়াছে ইহার গাঁথা।।
আব আতশ বাত খাকে, চার ইন্দ্রিয় খোদা রাখে।
খোদাই তত্বের কথা ইহার মধ্যে আছে যথা।।
'নাফাখতু ফিহে মীর রুহিন', হেকমতের বাক্য চিন।
তৎপর সজিদার জন্য খোদা খোদে করেন প্রথা।।
আদম তন খোদার বনি, তাজিম করেন খোদে জানি।
গোপনে গোপন রহে মারেফাতের মর্মকথা।।
মুর্শেদে ফানা হইলে, ফানা ফিশ শেখ তাকে বলে।
বদনের ছুরত জুদা, দুই তনে হয় এক আত্মা।।
বদনের তাজিম করলে, আত্মায় আত্মায় মিলন হইলে।
মুর্শেদের কলব হইতে হাকিকত মিলিবার প্রথা।।
কামালিয়াত পেতে চাইলে, নিজ মুর্শেদে মন বিকাইলে।
ফানাতে ফানা মিশাইলে বাকা পাইতে সেজদা তথা।।
তাজিমেতে আল্লা রাজি, বে-তাজিমে দাগাবাজি।
বে-তাজিম কইরে মকরম লান্নতে পড়িল সেথা।
ইবলিছে গৌরবে পড়ে, তাজিম নাহিক করে।
বে আদব সাব্যস্ত হইয়া রাজিম হওয়ার এই প্রথা।।
ফেরাউন আনাল হক বলে, প্রকাশ্য কাফের হলে।
মনসুর হিল্লাজ আনাল হকে শ্রেষ্ঠ অলি মশহুর যথা।।
আবদুল আযীযে কয়, যে আলেমের এলেম হয়।
কোরআন হাদিছ ফেকার কিতাব তাছাউফে পাবে গাঁথা।।