মুর্শেদ, নিবেদি চরণে, আরবা আনাছারের কথা বলিবেন আপনে ।
মুর্শেদ, আনাছারের মোয়াককেল কাহার কেবা আছে,
কিরূপেতে চালু হয় জানাবেন শেষে ।
না জানিয়া এবাদতে কি লজ্জত হবে,
ছোলায় নারিকেলের সাধ বুঝিব কেমনে ।।
মুর্শেদ, হাকিকতে দমের নাম জামেয়া প্রকাশ,
কি কারণ আছে তাতে জানিতে উল্লাস ।
না জানিলে ইহার ভেদ বৃথা জীবন গেল,
দলিল দ্বারা উত্তর দিয়া বুঝাও অধীনে ।।
মুর্শেদ, খোদাকে দেখিতে মোর মনে বড় সাধ
মৌলভীগণ ইহা শুনলে ঘটায় প্রমাদ ।।
দেখিতে পারিব কি না ইহ জীবন কালে,
দলিলে নি আছে ইহা বলিবেন আপনে ।।
মুর্শেদ, যেই তুখমে মানুষ পয়দা, বিন্দু বলে যারে,
ক্ষুদ্র বৃহৎ ব্রহ্মাণ্ড কি আছে তার অন্তরে ?
দলিলে তা আছে কি না জানিবারে চাই,
জিজ্ঞাসিলে মৌলভীগণ বলে, নাহি জানে ।।
মুর্শেদ, খাকি শরীর কিসের দ্বারা তৈয়ার হইল,
জানিতে বাসনা তোমার বৎসের জন্মিল ।
মৌলভীগণ ইহার খবর বলিতে না পারে,
কিচ্ছা কইয়া পীর সাজিয়া ঠকায় মমিনগণে ।।
মুর্শেদ, আবদুল আযীয বলে বৎস, যদি জানতে চাও,
দিল রুজু করে বস, মন কর ভাও ।
রেয়াজত করিতে যদি মনোবাঞ্ছা থাকে,
দলিল দ্বারা বলে দিব, শুন দিলের কানে ।